Grameen Bank crossed the milestone of 14 Thousand Crore taka loan outstanding.

14-Thousand-Crore-1

On November 16, 2017, Grameen Bank crossed the milestone of 14 Thousand crore taka loan outstanding. On this occasion, a meeting was held at Grameen Bank Head office under the presidency of Professor Muzammel Haque, Chairman of the board of directors. The Bank’s acting Managing Director Mr. Ratan Kumar Nag along with all the top executives was present at the meeting. This year in the month of January, Grameen Bank crossed the milestone of loan outstanding 12 thousand crore taka and crossed 13 thousand crore taka in the month of May.

Since its beginning till 2000, Grameen bank’s loan outstanding was 1,260 crore taka, it reached 9,203 crore taka till October 2015, it became 11,824 crore taka in December, 2016 and before the end of November, 2017 it reached 14,030 crore taka. It is to be observed here that, to meet the increased expanses due to initiating the new pay-scale, with everyone’s sheer effort, Grameen Bank’s loan outstanding has increased to 4,827 crore taka over the last two years.

Grameen Bank has achieved the highest record in loan disbursement and increase in loan outstanding in the year 2017.  Till November 16, 2017, Grameen Bank’s loan outstanding increased to 2,206 crore taka. In the last 12 working days of November 2017 alone, the loan disbursement was a total of 1,215 crore taka. It shows that Grameen Bank has the ability to distribute more than Tk. 100 crore every day.

14-Thousand-Crore-2

 

 

১৮,৯৬৯ কোটি টাকার ঋণ দিল গ্রামীণ ব্যাংক

Prothom-Alo

 

প্রথম আলো, বানিজ্য ডেস্কঃ

গ্রামীণ ব্যাংক চলতি বছরের প্রথম ১০ মাসে (জানুয়ারি-অক্টোবর) ১৮ হাজার ৯৬৯ কোটি টাকার ঋণ দিয়েছে, যা গত বছর বিতরণ করা মোট ঋণের চেয়ে বেশি। গতবার ১৮ হাজার ৭৫৪ কোটি টাকা ঋণ দেয় ব্যাংকটি।

এক বিজ্ঞপ্তিতে গতকাল জানানো হয়, চলতি বছর প্রতি কর্মদিবসে গড়ে ১০২ কোটি এবং মাসে গড়ে ২ হাজার কোটি টাকার ঋণ দিয়েছে গ্রামীণ ব্যাংক। বিতরণ করা ঋণের মধ্যে ৪০ শতাংশ কৃষি ও সবজি চাষে, ১৪ শতাংশ গবাদিপশু পালন ও মাছ চাষে, ১৭ শতাংশ ক্ষুদ্র ও কুটিরশিল্পে, ২০ শতাংশক্ষুদ্র ও মাঝারি ব্যবসায় এবং অন্যান্য খাতে ৯ শতাংশ।

এ দিকে চলতি মাসে গ্রামীণ ব্যাংকের আদায়যোগ্য ঋণের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ১৪ হাজার কোটি টাকা। গত বছরআদায়যোগ্য ঋণের পরিমাণ ছিল ১১ হাজার ৮২৪ কোটি টাকা।

(সূত্রঃ প্রথম আলো, তারিখঃ ৩০-১১-২০১৭)
http://epaper.prothom-alo.com/view/dhaka/2017-11-30/13

palo-new-30112017

বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত সদস্যদের পাশে গ্রামীণ ব্যাংক

কালের কণ্ঠ
বাণিজ্য ডেস্ক   | ২৬ নভেম্বর, ২০১৭ ০০:০০
প্রাকৃতিক দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে সদস্যদের পাশে রয়েছে গ্রামীণ ব্যাংক। এ বছর আগস্ট মাসের প্রথম সপ্তাহ থেকেই দেশব্যাপী প্রবল বর্ষণ এবং উজান থেকে নেমে আসা পানির ঢলে দেশের উত্তরাঞ্চলসহ মধ্যাঞ্চল বন্যাকবলিত হয়েছে।

এতে গ্রামীণের ২৬টি জোনের ব্যাপক এলাকা কমবেশি বন্যাকবলিত হয়ে পড়ে। এই জোনগুলো হচ্ছে ঠাকুরগাঁও, দিনাজপুর, রংপুর, বগুড়া, নীলফামারী, গাইবান্ধা, নওগাঁ, কুড়িগ্রাম, রাজশাহী, খুলনা, যশোর, পাবনা, সিরাজগঞ্জ, ফরিদপুর, মাদারীপুর, জামালপুর, শেরপুর, সিলেট, হবিগঞ্জ, সুনামগঞ্জ, নেত্রকোনা, টাঙ্গাইল, মানিকগঞ্জ, নোয়াখালী, কুমিল্লা ও নারায়ণগঞ্জ জোন।

Pic1বন্যার শুরুতেই এই দুর্যোগ মোকাবেলার উদ্দেশ্যে ব্যাংকের এমডি রতন কুমার নাগের নির্দেশনায় প্রধান কার্যালয়ে কেন্দ্রীয়ভাবে গ্রামীণ ব্যাংকের একটি ‘বন্যা দুর্যোগ মোকাবেলা কমিটি’ গঠন করা হয়। এই কমিটি বন্যাদুর্গত জোনগুলোর সঙ্গে সার্বক্ষণিক যোগাযোগ রক্ষা করে বন্যা পরিস্থিতির নিয়মিত মনিটরিং করে। তারা বন্যাদুর্গত সদস্যদের দুর্যোগ মোকাবেলায় প্রয়োজনীয় পরামর্শ ও সার্বিক সহযোগিতা প্রদান করে। এ ছাড়া প্রয়োজনীয় যোগাযোগ করে বন্যার তথ্য সংগ্রহ, কর্তৃপক্ষকে অবহিতকরণ ও প্রজেকশনের উদ্দেশ্যে প্রধান কার্যালয়ে একটি ‘বন্যাসংক্রান্ত তথ্য কমিটি’ গঠন করা হয়। প্রাথমিক তথ্য অনুযায়ী ব্যাংকের ২৬টি জোনের অন্তর্ভুক্ত ১৫৫ এরিয়ার ৬২৮টি শাখার ছয় লক্ষাধিক সদস্য-পরিবার এ বন্যায় সরাসরি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। ব্যাংকের সহকর্মীরা বন্যাকালীন প্রত্যেক বন্যার্ত সদস্যের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ করে তাদের পাশে থেকে দুর্যোগ মোকাবেলায় তাদের সহযোগিতা প্রদান করেন।

এ ছাড়া যেকোনো প্রাকৃতিক দুর্যোগ মোকাবেলায় গ্রামীণ ব্যাংকের একটি দুর্যোগকালীন তহবিল রয়েছে।
এবারও বন্যার প্রাথমিক ধাক্কা কাটিয়ে উঠতে বন্যাদুর্গত এলাকায় কিস্তি আদায় বন্ধ রেখে ব্যাংকের দুর্যোগকালীন তহবিল থেকে বন্যার্ত সদস্য ও তাদের পরিবারের সদস্যদের মধ্যে ত্রাণ সহায়তা দেওয়া হয়। পাশাপাশি সদস্যপ্রতি ন্যূনতম এক হাজার টাকা করে তিন কোটি ২৩ লাখ টাকা বিনা সুদে ঋণ বিতরণ করা হয়েছে এবং এ প্রক্রিয়া এখনো চালু রয়েছে।

এ ছাড়া স্বাস্থ্যঝুঁকি মোকাবেলায় স্থানীয় পর্যায়ে নিয়মিত স্বাস্থ্যক্যাম্পের আয়োজন করে বন্যার্তদের মধ্যে স্বাস্থ্যসেবা প্রদান করা হয়। পানি নেমে যাওয়ার পর ক্ষতিগ্রস্ত সদস্যদের বন্যাপরবর্তী পুনর্বাসনে গ্রামীণ ব্যাংক কর্মসূচি হাতে নিয়েছে। যেসব সদস্যের গৃহ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে তাদের গৃহ নির্মাণ ও সংস্কারের জন্য বিনা সুদে গৃহ পুনর্বাসন ঋণ, দুর্যোগ পুনর্বাসন ঋণ প্রদানের ব্যাপক কর্মসূচি হাতে নেওয়া হয়েছে। যেসব সদস্য ফসল ও ব্যবসায় ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে তাদের অতিরিক্ত পুঁজি হিসেবেও সহায়ক ঋণ হিসেবে ৫০০ কোটি টাকা ঋণ বিতরণের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এসব ছাড়াও ব্যাংকের অন্যান্য স্বাভাবিক ঋণ কার্যক্রম জোরদার করে বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত সদস্য ও সদস্য পরিবারের সংকট কাটিয়ে তাদের যত দ্রুত সম্ভব স্বাভাবিক কর্মময় জীবনপ্রবাহে ফিরিয়ে আনার কর্মসূচি বাস্তবায়ন করা হচ্ছে।

ব্যাংকের এমডি রতন কুমার নাগ বলেন, ‘অতীতেও ব্যাংকটি দুর্যোগকালীন সময়ে তার সদস্যদের পাশে থেকেছে, এবারও সব সহযোগিতা প্রদানে অঙ্গীকারবদ্ধ রয়েছেন ব্যাংকের সব সহকর্মী। মানুষ হিসেবে এটা আমাদের সবারই নৈতিক ও মানবিক দায়িত্ব বলে আমরা মনে করি। ’

Grameen Bank’s profit rises, interest declines

Publication : The Financial Express Published : 15 Aug 2017, 21:42:23

Grameen Bank has earned good profit in recent months despite the lending rate cut by the present management, according to the latest data available from the bank.

The bank for the poor made a profit of Tk 1.02 billion (102 crore) in the first six months of this year as against the yearly profit of Tk 1.39 billion in 2016, reports BSS.

On the other hand, the bank is now charging lower rate of interest for lending to its members who mainly belong to the lower income groups of the society.

“We are now charging the highest 20.0 per cent interest against a loan though the ceiling of interest is 27.0 per cent fixed by the Microcredit Regulatory Authority (MRA),” said acting Managing Director of the bank Ratan Kumar Nag.

While talking to the news agency, he claimed the rate is the lowest among the microcredit organisations in the country.

Besides, he said, the rate of interest is even lower for various purposes.

For instance, the interest rate for education loan is 5.0 per cent and for buying house is 8.0 per cent.

“In addition, Grameen Bank offers interest-free loan to help rehabilitate beggars and other people who are struggling for a better life,” Nag said.

Apart from lowering the interest rate, the bank has also initiated exploring new areas of lending with the aim of bringing more people under its operations, the bank’s high official said.

“The bank has so far disbursed loan to 52,000 students for higher education while planning loan for helping medical graduates to establish hospitals in rural areas to provide poor people with better health services,” Nag said.

He said the bank is also providing loans to rural entrepreneurs who need financial support to expand their existing businesses.

“The expansion of loan operation coupled with efficient monitoring of its disbursement and recovery helped the bank increase its profit while cutting interest rate for the betterment of its low-income clients,” the acting MD said.

“We have increased field-level monitoring and launched Skype for maintaining communications with Regional Managers and field-level officials,” he added.

According to him, loan disbursement surged to Taka 187.54 billion last year from Taka 96.15 billion in 2010 when the rate of loan recovery was 99.05 per cent in 2016 against 97.37 per cent in 2010.

The number of the bank’s members or loan recipients increased from 8.341 million in 2010 to 8.902 million in 2016 and overdue loans also fell significantly in the recent months while it came down to 0.41 per cent in June this year from 0.55 per cent in 2016 and two per cent in 2015, Nag said.

“All the bank’s indicators including profit, loan disbursement and recovery and number of beneficiaries are currently on a steady rise,” he said, adding that the bank has already brought all the villages of the country under its operation.

১শ’ কোটি টাকা মুনাফা করেছে গ্রামীণ ব্যাংক

Samakal Report-8-1-2017 (1)সমকাল প্রতিবেদক
প্রকাশ :দৈনিক সমকাল ০৮ জানুয়ারি, ২০১৭ ০০:০৪:৩৩
বড় অঙ্কের মুনাফায় ফিরেছে গ্রামীণ ব্যাংক। সদ্য সমাপ্ত ২০১৬ সালে ক্ষুদ্রঋণ কেন্দ্রিক প্রতিষ্ঠানটি ১০০ কোটি টাকা মুনাফা করেছে। গ্রামীণ ব্যাংক সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে। ২০১৬ সালের আর্থিক বিবরণী এখনও নিরীক্ষা (অডিট) হয়নি। নিরীক্ষা শেষে নিট মুনাফা হিসাব করা হবে। কর অব্যাহতি থাকায় গ্রামীণ ব্যাংক পরিচালন মুনাফা থেকে নিরাপত্তা সঞ্চিতি বাদ দিয়ে নিট মুনাফা হিসাব করে। খেলাপি ঋণের আদায় ভালো হওয়ায় নিরাপত্তা সঞ্চিতি কম রাখতে হয়। ২০১৬ সালে গ্রামীণ ব্যাংক ১০৫ কোটি টাকা খেলাপি ঋণ আদায় করেছে। গ্রামীণ ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, ড. ইউনূসের অব্যাহতির বছরে অর্থাৎ ২০১১ সালে তার আগের বছরের তুলনায় মুনাফা কমে যায়। ২০১০ সালে মুনাফা ছিল ৭৬ কোটি টাকা। পরের বছর তা কমে দাঁড়ায় ৬৮ কোটিতে। পরের দু’বছর মুনাফা বেশ বাড়ে। ২০১২ সালে ১৪৫ কোটি ও ২০১৩ সালে ১৩৩ কোটি টাকা মুনাফা করে গ্রামীণ ব্যাংক। এরপর নানাবিধ অনিশ্চয়তার কারণে ব্যাংকটির মুনাফা ক্রমান্বয়ে কমছিল। ২০১৪ সালে ৪৩ কোটি ৬০ লাখ টাকা মুনাফা করে। পরের বছর ২০১৫ সালে মুনাফা নেমে আসে ২ কোটি ৪৩ লাখ টাকায়। গ্রামীণ ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক রতন কুমার নাগ সমকালকে বলেন, ২০১৬ সালে রাজনৈতিক অস্থিরতা ছিল না। প্রাকৃতিক দুর্যোগও বিশেষ হয়নি। ফলে সাধারণ মানুষের কর্মকাণ্ড বিশেষ বিঘি্নত হয়নি। এদিকে নতুন পে-স্কেল বাস্তবায়ন করায় কর্মীরাও নতুন উদ্যমে কাজ করেছেন। এতে ব্যাংকের সদস্য বেড়েছে। বেড়েছে ঋণ বিতরণ। আবার খেলাপি ঋণ আদায় বেড়েছে। ফলে ব্যাংকের মুনাফা বেড়েছে। গ্রামীণ ব্যাংকের উপমহাব্যবস্থাপক মোস্তফা কামাল জানান, নতুন নতুন উদ্যোগ ও কর্মসূচি গ্রহণ, কর্মীদের উদ্বুদ্ধকরণ এবং ব্যবস্থাপনার দক্ষতার কারণে পে-স্কেল দেওয়ার পরেও মুনাফা বেড়েছে। নতুন পে-স্কেলের কারণে গ্রামীণ ব্যাংকের পরিচালন ব্যয় ৪৫০ কোটি টাকা বেড়েছে বলে তিনি জানান। সম্প্রতি অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত বলেন, গ্রামীণ ব্যাংককে পুনরুজ্জীবিত করতে কাজ শুরু হয়েছে। গ্রামীণ ব্যাংক কীভাবে নতুন ভূমিকায় কাজ করতে পারে তা নিয়ে ভাবা হচ্ছে। নিট মুনাফা হিসাবের পর শেয়ারহোল্ডারদের লভ্যাংশ দেবে গ্রামীণ ব্যাংক। ২০০৬ সাল থেকে গ্রামীণ ব্যাংক শেয়ারহোল্ডাদের ৩০ শতাংশ লভ্যাংশ দিয়ে আসছে। ব্যাংকটির ৭৫ শতাংশ শেয়ারহোল্ডার ঋণগ্রহীতা সদস্য এবং ২৫ শতাংশের মালিকানা সরকারের হাতে। ২০১৫ সাল পর্যন্ত সরকার গ্রামীণ ব্যাংকে ১৯ কোটি ৪৫ লাখ টাকা বিনিয়োগ করেছে। এর বিপরীতে লভ্যাংশ পেয়েছে ১৯ কোটি ৬ লাখ টাকা। ১৯৮৩ সালে প্রতিষ্ঠিত গ্রামীণ ব্যাংকের গত ডিসেম্বর শেষে সারাদেশে শাখার সংখ্যা দাঁড়িয়েছে দুই হাজার ৫৬৮টিতে। শুরু থেকে ডিসেম্বর পর্যন্ত এক লাখ ৪১ হাজার ৭৭২ কোটি টাকা ঋণ বিতরণ হয়েছে। গত বছর প্রতিষ্ঠানটি ঋণ বিতরণ করে ১৮ হাজার ৭৫৪ কোটি টাকা। ওই বছর আদায়যোগ্য ঋণের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ১১ হাজার ৮২৪ কোটি টাকা।

Grameen Bank’s profit rebounds in 2016. The lender earned Tk 100cr in net profit

Publication: The Daily Star. Date: January 05, 2017, By: Md Fazlur Rahman

grameen-Bank-05012017Grameen Bank’s net profit rebounded in 2016, with the microcredit pioneer logging in Tk 100 crore on the back of increased loan disbursement and recovery.

A stable economic environment and the absence of any major natural disaster helped the bank raise the profits from only Tk 2.43 crore in 2015.

Its net profit came down sharply in 2015 following the implementation of the national pay-scale for its 21,000 employees with retrospective effect. The lender had to spend Tk 450 crore on the additional salary expenses.

However, officials said the new pay-scale encouraged the employees to put in more efforts in lending and recovering loans.

The bank disbursed Tk 18,754 crore last year. Its outstanding loans stood at Tk 11,824 crore in 2016 which was Tk 9,642 crore a year ago. Last year, the bank also recovered Tk 105 crore in bad loans.

The bank saw lower-than-expected profits in 2014 and 2015. In 2014, it made a profit of Tk 43 crore.

Bankers said the bank’s activities slowed in 2013 and 2014 because of various uncertainties that affected its profit margin.

Ratan Kumar Nag, acting managing director of the bank, said the lender strengthened its activities in late 2015 which continued in 2016.

He said loan portfolio, number of members, outstanding loans and net profit — all went up in 2016 compared to 2015.

The bank has been distributing dividends among its shareholders since 2006. Before that, it could not pay dividends as the amount of profit was low and the central bank instructed Grameen Bank to keep the profit in its disaster fund.

However, since 2008 the microcredit lender has been giving out 30 percent annual dividends.

The government received Tk 5.83 crore in dividends in 2015 thanks to its 25 percent stake in the bank. The bank’s 62 lakh shareholders received the rest of the dividends.

Last year, Grameen Bank, founded by Nobel laureate Prof Muhammad Yunus, added more than one lakh members to take the total number to 89 lakh.

Although the bank has been performing well financially, other issues are hampering its activities.

The borrowers who own 75 percent share in the bank do not have representation in the board as the tenure of the nine elected directors ended in February last year. Since then the election to pick the directors from the borrowers has not been held.

Another issue is: the bank has been running by an acting managing director since Prof Yunus left it in 2011.

The issue is pending in the court after the nine elected directors went to the court challenging the Grameen Bank board’s authority to publish newspaper advertisement to appoint the chief executive.

On Sunday, Finance Minister AMA Muhith said the government would move to get the case resolved.

On an average, Grameen Bank lends Tk 1,500 crore per month. It has 2,566 branches across the country. Its non-performing loans stand at less than 2 percent.

Since its inception in 1983, the bank has distributed Tk 123,000 crore in loans.

Managing Director from Grameen Bank participated at Laureates and Leaders Summit, Rastopoti Bhaban, New Delhi, India on 9-10, December 2016.

Picture1

Laureates and Leaders for children Summit held in Rastopoti Bhaban, New Delhi, India on 9-10, December, 2016. This Summit was organized by the Kailash Satyarthi Children’s Foundation. Honourable President of India, Shri Pranab Mukherjee was the chief guest. Nobel Lauriate Mr. Kailash Satyarthi, who was awarded the Nobel Peace Prize, presided over the Summit.

His Holiness the Dalai Lama, Princess Charlenc of Monaco, Prince Ali Bin Al Hussein of Jordan, Princess Laurentine of the Netherlands, UNESCO Special Envoy one Literacy for Development and Jose Ramos-Horta, former President of Timore-Leste, Julia Gillard, Former Prime Minister of Australia, Gilbert Houngbo, Former Prime Minister of Togo, Ms. Laymah Gbowee, Nobel Peace Lauriate, Mr. Jeffrey Sachs, Director, The Earth Institute, Ms. TawakkolKarman Nobel Peace Laureate Mr. AngelGuria, Sec-general Organization for Economic Co-operation and Development participate at this summit.

Mr. Ratan Kumar Nag, Acting Managing Director of Grameen Bank along with his wife Shampa Paul was also invited in this summit. Mr. Nag was also Moderator and Pannnelist speaker for two different Sessions which was held in Rastopoti Bhaban, New Delhi, India.

গ্রামীণ ব্যাংক বৃত্তিপ্রাপ্ত ছাত্র-ছাত্রীদের সনদপত্র বিতরণ অনুষ্ঠান সম্পন্ন

IMG_Group pic-4

 

সূত্রঃ দৈনিক ইত্তেফাক বৃহস্পতিবার, ২৯ ডিসেম্বর ২০১৬, ১৫ পৌষ ১৪২৩, ২৮ রবিউল আউয়াল ১৪৩৮

গ্রামীণ ব্যাংকের বৃত্তিপ্রাপ্ত ছাত্র-ছাত্রীদের সনদপত্র বিতরণ ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান গত মঙ্গলবার গ্রামীণ ব্যাংক অডিটরিয়ামে অনুষ্ঠিত হয়। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন গ্রামীণ ব্যাংকের ভারপ্রাপ্ত ব্যবস্থাপনা পরিচালক রতন কুমার নাগ।
ব্যাংকের সংস্থাপন বিভাগের মহাব্যবস্থাপক মো. আমীর খসরুর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন— মহাব্যবস্থাপক মো. মাহবুবুর রহমান, মহাব্যবস্থাপক বাবুল সাহা, মহাব্যবস্থাপক আব্দুস সালাম, মো. দানেশ হাওলাদার, মো. নজরুল ইসলাম, মো. নাহিদুল ইসলাম, মো. সাকিব আফলাম প্রমুখ। পরে ব্যাংকের সংস্থাপন বিভাগের প্রধান আবুল কাসেম মো. মোকতাদুর রহমানের সঞ্চালনায় সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান হয়।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে গ্রামীণ ব্যাংকের ভারপ্রাপ্ত ব্যবস্থাপনা পরিচালক রতন কুমার নাগ বলেন, গ্রামীণ ব্যাংক প্রতি বছর বিভিন্ন পর্যায়ে মোট ২৭ হাজার ছাত্র-ছাত্রীকে বৃত্তি প্রদান করে। এ পর্যন্ত গ্রামীণ ব্যাংক থেকে দুই লাখ ৪৮ হাজার ১৬৯ জন ছাত্র-ছাত্রীর মাঝে ৪৩.২৯ কোটি টাকা বৃত্তি প্রদান করা হয়েছে। —প্রেস বিজ্ঞপ্তি

Grameen Bank crossed the milestone of outstanding loan 11 thousand crore Taka

Grameen Bank crossed the milestone of outstanding loan 11 thousand crore Taka on August 30, 2016. Professor Muhammad Yunus initiated the microcredit program by providing 856 Taka loan from his own pocket to 42 poor people of Zobra Village of Chittagong district in the year 1976.Then from 1976 as an action research project under the Economics Department of Chitttagong University, from 1979 as a special project under Bangladesh bank and since October 1983 Grameen Bank has been running its activities as an institution made by a law. At present, Grameen bank is working in all the districts of Bangladesh and having a number of 86,17000 members.

Since inception to August 31, 2014, Grameen bank has disbursed a total loan of 1, 03465 crore taka. This loan has been disbursed to the landless, asset less and poor village people. Analyzing the loan disbursement of Grameen bank of every five years, it is observed that the loan disbursement amount has significantly increased at every five years. For instance, in August 1999, the total loan disbursement since inception was only 11,910 crore taka which reached at 20,796 crore taka in August 2004, an increase of 8,886 crore taka in total. In the next five years in August 2009 the loan disbursement reached at 47,167 crore taka, a total increase of 26,371 crore taka. In the next 5 years on August 2014 the loan disbursement reached at 1,03,465 crore taka , a total increase of 56,298 crore Taka. Continue reading

নোবেল জয়ের এক দশক

প্রথম আলো, অক্টোবর ১৪, ২০১৬

নিজস্ব প্রতিবেদক | আপডেট: ০০:০৪, অক্টোবর ১৪, ২০১৬ | প্রিন্ট সংস্করণ

গ্রামীণ ব্যাংক ও এর প্রতিষ্ঠাতা ড. মুহাম্মদ ইউনূসকে শান্তিতে নোবেল পুরস্কার দেওয়ার ঘোষণা হয়েছিল ২০০৬ সালের ১৩ অক্টোবর। গতকাল বৃহস্পতিবার এ নোবেল জয়ের এক দশক পূর্ণ হলো।
২০০৬ সালের ১৩ অক্টোবর নরওয়ের নোবেল কমিটি শান্তিতে অবদান রাখার জন্য গ্রামীণ ব্যাংক ও এর প্রতিষ্ঠাতা ড. মুহাম্মদ ইউনূসকে নোবেল পুরস্কার দেওয়ার ঘোষণা দেয়। পরে ওই বছরের ১০ ডিসেম্বর নরওয়ের রাজধানী অসলোতে এক জাঁকজমকপূর্ণ অনুষ্ঠানে ড. ইউনূস ও গ্রামীণ ব্যাংকের প্রতিনিধি তাসলিমা বেগম এ পুরস্কার গ্রহণ করেন।